সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসার দরজায় দুদক নোটিশ সাঁটিয়ে দিয়েছে। রোববার বিকেলে
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসার দরজায় দুদক নোটিশ সাঁটিয়ে দিয়েছে। রোববার বিকেলে

সিলেটের সাবেক মেয়র ও তাঁর পরিবারের সম্পদ বিবরণী চেয়ে দরজায় দুদকের নোটিশ

সিলেট সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগদলীয় সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নগরের পাঠানটুলা এলাকায় সাবেক মেয়রের বাসভবনের দরজায় নোটিশটি টাঙিয়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের ঢাকার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আসা তিন সদস্যের একটি দল দুদকের পরিচালক (মানিলন্ডারিং) মোহাম্মদ মোরশেদ আলম স্বাক্ষরিত এ নোটিশ টাঙায়।

দুদক জানিয়েছে, সাবেক মেয়র ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আয়-বহির্ভূত অবৈধ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন বলে দুদক প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। তাই ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের সম্পদের পূর্ণ বিবরণ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে বিবরণী জমা না দিলে কিংবা মিথ্যা বিবরণী জমা দিলে পরবর্তীকালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিলেটের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে দুদকের স্থির বিশ্বাস যে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত স্বনামে বা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। দুদক আইন ২০০৪-এর ধারা ২৬-এর উপধারা (১)-এর ক্ষমতাবলে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর দায়দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী জমা দিতে হবে।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তৎকালীন সিলেট সিটির মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী যুক্তরাজ্যে চলে যান। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ২০২৩ সালের ২১ জুন সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মেয়র নির্বাচিত হন।