খান মুরাদ
খান মুরাদ

খুলনায় যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক খান মুরাদ হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ও বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ হোসেনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে ঢাকা মহানগর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে খুলনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র প্রথম আলোকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে সাজ্জাদকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। রোববার বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

পুলিশ, স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় হাটের ইজারার দরপত্রকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ ও যুবদল নেতা খান মুরাদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও বিরোধ শুরু হয়। অভিযোগ আছে, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সেনহাটি এলাকার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) সামনের একটি দোকানে সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে ছাত্রদলের কয়েকজন মিলে মুরাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন।

গতকাল শনিবার বাদ আসর হাজিগ্রাম ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে মাদ্রাসা কবরস্থানে মুরাদকে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবাদুল হক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুর রহমানসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা।

খান মুরাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেনকে দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।