
কুড়িগ্রাম শহরের ধরলা নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষার্থী আসাদুজ্জামানের (১৭) লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। নিখোঁজের পাঁচ ঘণ্টা পর আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে তার লাশ উদ্ধার করে।
আসাদুজ্জামান সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের পাটেশ্বরী এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে। সে কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেলা একটার দিকে দুই বন্ধু জয় ও তরঙ্গের সঙ্গে ধরলা নদীতে গোসল করতে নামে আসাদুজ্জামান। নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে আসাদুজ্জামান পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ সময় তার দুই বন্ধু সাঁতরে তীরে উঠলেও আসাদুজ্জামান স্রোতের টানে ভেসে যায়। দুই বন্ধুর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে। উদ্ধার তৎপরতা শুরুর ৩০ মিনিটের মধ্যে ধরলা সেতুর পূর্ব পাশে ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার হয়। এ সময় নদীর তীরে উৎসুক জনতা ভিড় করে।
কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা আলী সাজ্জাদ বলেন, রংপুর থেকে ডুবুরি দল এসে আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় নিখোঁজ আসাদুজ্জামানের লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ শাহারিয়ার বলেন, ধরলা নদীতে নিখোঁজের পাঁচ ঘণ্টা পর আসাদুজ্জামান নামের এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাত আটটায় জানাজা শেষে আসাদুজ্জামানের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।