গাজীপুরের কাপাসিয়ার পরিত্যক্ত খামারে রাখা হয়েছিল এসব ঘোড়া। গতকাল গভীর রাতে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাশক গ্রামে
গাজীপুরের কাপাসিয়ার পরিত্যক্ত খামারে রাখা হয়েছিল এসব ঘোড়া। গতকাল গভীর রাতে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাশক গ্রামে

গাজীপুরে পরিত্যক্ত খামারে রাতের আঁধারে ঘোড়া জবাই, পরে মাংস উদ্ধার

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার একটি পরিত্যক্ত খামার থেকে ঘোড়ার মাংস জব্দ করেছে পুলিশ। এ ছাড়া জবাইয়ের জন্য অপেক্ষমাণ ১০টি ঘোড়াকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাশক গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করা যায়নি। পুলিশ জানায়, উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেছে চক্রের সদস্যরা।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, মাশক গ্রামে মো. জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত খামার মাসিক ২০ হাজার টাকায় ভাড়া নেন খুলনা থেকে আসা আনিসুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। গত রাতে সেখানে কয়েকটি ঘোড়া আনা হয়। গভীর রাতে চার-পাঁচটি ঘোড়া জবাইয়ের সময় সন্দেহ হলে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেন।

কাপাসিয়া উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ কে এম আতিকুর রহমান এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ আসার খবরে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে গেলেও জবাই করা ঘোড়ার মাংস এবং ১০টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়।

ঘোড়াগুলো বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন এগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন।

বাংলাদেশে বর্তমানে ঘোড়া জবাই করা আইনত নিষিদ্ধ জানিয়ে আতিকুর রহমান বলেন, এটি একটি গুরুতর অপরাধ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যেই ঘোড়াগুলো জবাই করা হচ্ছিল।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনুর আলম প্রথম আলোকে বলেন, উদ্ধারের পর ঘোড়ার মাংস ঘটনাস্থলেই মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে অভিযোগ দায়েরের কথা আছে।