এমরান আহমদ চৌধুরী
এমরান আহমদ চৌধুরী

সিলেট-৬ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী এমরান আহমদ, কাটল বিভ্রান্তি

সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দুই প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার ফলে সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জেলা বিএনপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমরান আহমদ চৌধুরীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার খবর জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে এমরান আহমদকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে এবং এটি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তখন সিলেট-৬ আসনে এমরান আহমদ চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়। তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় একই আসনে আরেক প্রার্থী, জেলা বিএনপির সদস্য ফয়সল আহমদ চৌধুরীকেও ‘সংযুক্তি-২’ উল্লেখ করে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। ফয়সল আহমদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

নেতা-কর্মীরা জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে দুজনকে মনোনয়ন দেওয়ার কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং সমর্থকদের মধ্যে আলাদা বলয়ও গঠন হয়। উভয় প্রার্থীর সমর্থকেরা নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে কর্মসূচি ও প্রচারণা চালান। তবে বর্তমানে এমরান আহমদ চৌধুরীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার ফলে বিভ্রান্তি সমাধান হয়েছে।

এদিকে জেলা বিএনপির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমরান আহমদ চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়, যেখানে তিনি বলেন, ‘এই আসনে যাঁরা মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই যোগ্য ও ত্যাগী নেতা। তাঁদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। মনোনয়ন না পেলেও আমরা সবাই একই আদর্শের কর্মী।’

এমরান আহমদ চৌধুরী আরও বলেন, ‘এখন থেকে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজে লেগে যাব। ইনশা আল্লাহ, বিজয় নিশ্চিত করে ঘরে ফিরব এবং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলব একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী সিলেট-৬ আসন।’