
বাবার কবর জিয়ারত করে মা জায়েদা খাতুনের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। আজ মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জায়েদা খাতুন টেবিল ঘড়ি প্রতীক পাওয়ার পর বাবার কবর জিয়ারত করতে যান জাহাঙ্গীর।
মায়ের প্রতীক বরাদ্দের পর অনুসারীদের নিয়ে মহানগরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কানাইয়া এলাকায় যান জাহাঙ্গীর। সেখানে বাবা মিজানুর রহমানের কবর জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় জাহাঙ্গীরের মা জায়েদা খাতুনসহ এলাকাবাসীরাও কবর জিয়ারতে অংশ নেন। কবর জিয়ারত শেষে ভোটের মাঠে মায়ের জয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চান জাহাঙ্গীর।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারেন।
জায়েদা খাতুনের নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানান, তফসিল অনুযায়ী আজ ছিল প্রতীক বরাদ্দের দিন। সেই উপলক্ষে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের মা জায়েদা খাতুন দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুর সিটির ছয়দানা এলাকার বাসা থেকে গাজীপুর শহরের বঙ্গতাজ মিলনায়তনে আসেন। এ সময় জাহাঙ্গীর আলমও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। জায়েদা খাতুন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টেবিল ঘড়ি প্রতীক পান। পরে জাহাঙ্গীর ও তাঁর মা মিলনায়তনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
জায়েদা খাতুন বলেন, ‘আমি লড়াই করছি জনগণের জন্য। আমার সঙ্গে সিটি করপোরেশনের জনগণ আছে। আমি আমার ভোটের নিরাপত্তা চাই, নির্বাচন কমিশনের কাছে সুষ্ঠু ভোট চাই।’ নির্বাচনে জিতলে প্রথমে কী করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা। তিনি জিতলে প্রথমে রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক করবেন।
সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি গাজীপুর সিটি করপোরেশনকে গ্রাম থেকে শহরে রূপান্তর করতে চেয়েছিলাম। সেই কাজে হাতও দিয়েছিলাম। এখন মায়ের পাশে থেকে সেসব কাজ করে যেতে চাই।’
গাজীপুর সিটিতে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৭৬। ৫৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২৩৯ জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ১৯টি পদে ৭৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে ভোটকেন্দ্র ৪৮০টি।