বরিশালে কলেজছাত্র সাইদুল হত্যার বিচার দাবিতে তাঁর সহপাঠীরা মানববন্ধন করেন। আজ সোমবার দুপুরে সরকারি বরিশাল কলেজের মূল ফটকে
বরিশালে কলেজছাত্র সাইদুল হত্যার বিচার দাবিতে তাঁর সহপাঠীরা মানববন্ধন করেন। আজ সোমবার দুপুরে সরকারি বরিশাল কলেজের মূল ফটকে

বরিশালে কলেজছাত্র সাইদুল হত্যার বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

সরকারি বরিশাল কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম ওরফে সজীব হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার চেয়ে মানববন্ধন হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আটজন আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত মাত্র একজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিশ। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, মূল খুনি মিলন খান কীভাবে এখনো পলাতক থাকেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।

এতে বক্তব্য দেন নিহত শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলামের সহপাঠী আবুল কাসেম, জহিরুল ইসলাম ও মো. জিহাদ।

নিহত সাইদুল ইসলামের বাবা আবুল হোসেন খান বলেন, গত ২৯ মার্চ সকালে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের লোচনাবাদ গ্রামে তাঁদের বসতবাড়ি–সংলগ্ন জমিতে একটি দোকানঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় একই গ্রামের বাসিন্দা মিলন খান ৮-১০ জন ভাড়াটে লোকসহ ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত তাঁদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর করেন। হামলায় তাঁর ছোট ছেলে সাইদুল ইসলাম রক্তাক্ত জখম হন। তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মার্চ রাতে সাইদুল মারা যান।

বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার কে এম সোহেল রানা আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, এখন পর্যন্ত মামলার ২ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।