
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম আজ বুধবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সশরীর হাজির হয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এ সময় তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি অজ্ঞতার কারণে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বস্ত করেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির আজ দুপুরে প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আজ বেলা একটার দিকে ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সভাপতি মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের ও দলীয় কয়েকজন নেতাকে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম। প্রায় ২০ মিনিট তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন এবং লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম কমিশনকে বলেন, ৮ মে শোডাউনের বিষয়টি যে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন, এটা তিনি জানতেন না। অজ্ঞতার কারণে এটা হয়েছে। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করেন। এ সময় তিনি লিখিত একটি ব্যাখ্যাও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবিরের হাতে তুলে দেন। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা আচরণবিধি–সংক্রান্ত একটি বুকলেট মুফতি ফয়জুল করিমের হাতে তুলে দেন।
রিটার্নিং কর্মকার্তার কার্যালয় থেকে বের হয়ে মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আচরণবিধি মেনেই নির্বাচনী প্রচার চালাব। অন্যরা যাতে এটা মেনে চলেন, সেটা নিশ্চিত করার জন্য আমরা দাবি করেছি।’
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ফয়জুল করিম মনোনয়ন পাওয়ার পর গত সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশালে আসেন। বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করে তাঁকে বরিশাল শহরে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে মর্মে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির গতকাল মঙ্গলবার তাঁকে নোটিশ পাঠান।