গাজীপুর সদর উপজেলার বানিয়ারচালা এলাকায় পেট্রলবোমা তৈরির সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতাকে আটক করার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার রাতে তাঁদের আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে পেট্রলবোমা তৈরির সরঞ্জাম পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
আটক তিনজন হলেন ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নোমান আহম্মেদ (২৪), দপ্তর সম্পাদক আকাশ মাহমুদ (২৫) এবং ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল আহম্মেদ (৩২)। তাঁদের সবার বাড়ি বানিয়ারচালা গ্রামে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, বানিয়ারচালা এলাকায় পেট্রলবোমা তৈরি করা হচ্ছিল, এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় লোকজন তাঁদের ঘেরাও করে। পরে পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আজিমের মাছের খামারের পাশ থেকে তাঁদের তিনজনকে আটক করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৩০০ মিলিগ্রাম পেট্রল ও প্লাস্টিকের সাদা চিকন পাইপসহ পেট্রলবোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের তিন নেতা যানবাহনে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের উদ্দেশ্যে পেট্রলবোমা তৈরি করছিলেন। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ তাঁদের আটক করে।
আটক তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আহমেদ।