কক্সবাজার-মহেশখালী সাগর চ্যানেলে স্পিডবোট দুর্ঘটনা। আজ দুপুরে
কক্সবাজার-মহেশখালী সাগর চ্যানেলে স্পিডবোট দুর্ঘটনা। আজ দুপুরে

মহেশখালীতে দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষ, নারী যাত্রীর মৃত্যু

কক্সবাজার-মহেশখালী সাগর চ্যানেলে দুটি দ্রুতগতির স্পিডবোটের সংঘর্ষে এক নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার বিকেল চারটা পর্যন্ত নিহত ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

আজ সোমবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটা হামিদিয়া খালের মুখ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনায় আহত নারী যাত্রীকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক যাত্রী জানান, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মহেশখালীর গোরকঘাটা জেটিঘাট থেকে আটজন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। সাগর চ্যানেলের হামিদিয়া খালের মুখ এলাকায় পৌঁছালে স্পিডবোটটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ইঞ্জিনের পাখায় (প্রপেলার) মাছ ধরার জাল বা অন্য কোনো বস্তু আটকে আছে কি না, তা পরীক্ষা করছিলেন চালক মনজুর। ওই স্পিডবোটে তিনজন পর্যটকও ছিলেন।

এ সময় কক্সবাজার থেকে মহেশখালীর দিকে দ্রুতগতিতে আসা আরেকটি স্পিডবোট দাঁড়িয়ে থাকা স্পিডবোটটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে নারী যাত্রীসহ কয়েকজন সাগরে ছিটকে পড়েন। আশপাশে থাকা ট্রলার ও স্পিডবোটের যাত্রীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পানিতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত ওই নারী যাত্রীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্য স্পিডবোটের চালক ও যাত্রীরা জানান, দুর্ঘটনায় পড়া স্পিডবোটটিতে যাত্রীদের জন্য কোনো লাইফ জ্যাকেট ছিল না। মনজুর নামের একজন অনভিজ্ঞ তরুণ স্পিডবোটটি চালাচ্ছিলেন। ঘটনার পর ওই চালক পালিয়ে যান।