ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে জড়ো করা কয়েকজন। তাঁদেরকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভেতরে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে জড়ো করা কয়েকজন। তাঁদেরকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভেতরে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ

মহেশপুর সীমান্তে বার বার পুশ ইনের চেষ্টা বিএসএফের, স্থানীয়দের নিয়ে বাধা দিচ্ছে বিজিবি

ঝিনাইদহের মহেশপুর–সংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে চার দিনে বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে জোরপূর্বক পাঁচবার ১৭ জন লোককে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তাদের এসব চেষ্টা প্রতিহতের দাবি করেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)।

মহেশপুর ৫৮ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ২ জুন পাকরাইল সীমান্ত দিয়ে প্রথম পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ, যা স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিজিবি ব্যর্থ করে দেয়। এভাবে গত চার দিনে চারবার বিএসএফ পুশ ইনের চেষ্টা করলেও বারবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিজিবি।

বিজিবি জানিয়েছে, বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আগে থেকেই বিষয়টি অবহিত করে রাখা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। তাঁরা সর্বদা সজাগ রয়েছেন।

এ বিষয়ে যাদবপুর সীমান্তে বসবাসকারী রবিউল ইসলাম বলেন, পুশ ইন ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি সজাগ রয়েছে। তাঁরাও বিজিবির সহযোগিতায় কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকবার বিএসএফ পুশ ইনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।

এ বিষয়ে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার লেফটেনেন্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম জানান, বিএসএফ গত চার দিনে পাঁচ দফা পুশ ইনের চেষ্টা করেছে, যা ব্যর্থ করে দিয়েছেন বিজিবির সদস্যরা। এ কাজে এলাকার লোকজন সহযোগিতা করেছেন। আশা করা যায়, এ–জাতীয় পুশ ইনের সব চেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ভারতের ৭৮ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৬৮ কিলোমিটারে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে, বাকি ১০ কিলোমিটার আছে উন্মুক্ত। উপজেলার নেপা ও যাদবপুর এলাকায় উন্মুক্ত বর্ডার বেশি। এ এলাকা দিয়ে বেশি পুন ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে।