ধর্ষণ চেষ্টার আসামিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ চলছে
ধর্ষণ চেষ্টার আসামিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ চলছে

চট্টগ্রামে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে আনার সময় পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জড়িত আসামিকে আটক করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করে । আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ রাত আটটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লোকজন রাস্তায় অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে রেখেছিলেন। এক পর্যায়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন।

পুলিশ জানায়, চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় একটি ডেকোরেশনের কর্মচারী চার বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে লোকজন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনায় জড়িত ডেকোরেশনের কর্মচারীকে আটক করে। কিন্তু থানায় আনার পথে বিক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের গাড়ি আটকে দেয়।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ জড়িত আসামিকে আটক করে। শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়। আটক করে আসামিকে আনার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন পথ আটকে দেন। তাঁদের বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী আসামির বিচার হবে।

দুই সাংবাদিক গুলিতে আহত

এ দিকে এ ঘটনার সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে গুলিতে আহত হয়েছেন দুই সাংবাদিক। তারা হলেন, চট্টগ্রাম প্রতিদিনের সাংবাদিক মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান। চট্টগ্রামের প্রতিদিনের প্রকাশক আয়ান শর্মা প্রথম আলোকে বলেন, লাইভ দেওয়ার সময় পুলিশের গুলিতে মামুন কোমরে এবং নোবেল হাতে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। তাদের দুজনকে প্রথমে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।