কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার বিকেলে হাসপাতাল পাড়া এলাকায়
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার বিকেলে হাসপাতাল পাড়া এলাকায়

কুড়িগ্রামে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৬

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আজ রোববার সকালে উপজেলা সদরের শান্তিনগর ও বেলা তিনটার দিকে হাসপাতাল পাড়ায় দুই দফায় এ সংঘর্ষ হয়।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারী, কর্মী রাকিব ও আপন। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা কমিটির সভাপতি সুজন মিয়া, কর্মী মাহিন ও শরিফুল ইসলাম। তাঁদের রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ফেসবুকে পোস্ট ও পাল্টা পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে উভয় পক্ষের কর্মীরা জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এদিকে একই ঘটনাকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে দুই পক্ষ। ছাত্রদলের এক কর্মী দাবি করেন, সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রি কলেজে দেয়াললিখনকে কেন্দ্র করে শিবিরের নেতারা ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দেন। এ বিষয়ে জানতে গেলে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে শিবিরের কর্মীরা হামলা চালান এবং পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লোক জড়ো করে আবারও হামলা করেন।

অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সকালে শান্তিনগর এলাকায় উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক নেতাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে শিবির নেতা সুজন মিয়া ঘটনাস্থলে গেলে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং আরেক শিক্ষার্থী আহত হন।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।