কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস হচ্ছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস চত্বরটি অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
ছবি: প্রথম আলো

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুকৃবি) অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস ব্যবহারের অনুমতি মিলেছে। প্রায় এক দশক ধরে বন্ধ কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলসকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ কে এম জাকির হোসেন। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বোর্ড এই অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য।

উপাচার্য এ কে এম জাকির হোসেন বলেন, ‘আগামী ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ছাত্রছাত্রী ভর্তি নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অস্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রয়োজন ছিল। এ জন্য প্রায় ৪০ দিন আগে বন্ধ টেক্সটাইল মিলটি ব্যবহারের জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিলাম। তারা বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্যাম্পাসটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে এটি চমৎকার। এখানে ১৫ একরের বেশি জায়গা আছে। অনেক প্রজাতির উদ্ভিদ ও পুকুর আছে। এগুলো শিক্ষার্থীদের গবেষণাকাজে বেশ সহযোগী হবে।’

কবে নাগাদ অস্থায়ী ক্যাম্পাস সংস্কারের কাজ শুরু হবে, জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা অস্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য টেক্সটাইল মিলস চত্বরটি ভাড়া নেব। ভাড়া নির্ধারণ করে ইউজিসি আমাদের অনুমোদন দিলে তবেই সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে।’

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষে মোট দুটি বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। অ্যাগ্রিকালচার ও ফিশারিজ বিষয় নিয়ে শুরু হবে কার্যক্রম। প্রতি বিষয়ের বিপরীতে ৩০টি করে আসন থাকবে, যা পরে বাড়ানো হবে। ইউজিসির কাছ থেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন পেলে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানান উপাচার্য।