ময়ূর-৭ লঞ্চে আগুন লাগার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ময়ূর-৭ লঞ্চের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আজ শুক্রবার তোলা
ছবি: প্রথম আলো

চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে চলাচলকারী ময়ূর-৭–এ আগুন লাগার বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে তারা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

রাজধানীর সদরঘাটে আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দোতলা লঞ্চটিতে আগুন লাগে। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। লঞ্চটি লালকুঠি ঘাটের ২২ নম্বর পন্টুনে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল। এতে কোনো যাত্রী ছিল না। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

লঞ্চের ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা রাত সোয়া ১২টায় চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসার পর ভোর ৪টায় সদরঘাটে পৌঁছায়। বেলা ১১টায় আমি নিচতলায় বসে ছিলাম। এ সময় লঞ্চের মাস্টার আমাকে জানান, “লঞ্চের পেছনে একটি কেবিন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।” এরপর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে তখন লঞ্চে কোনো যাত্রী না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত করা হোক। তাহলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। লঞ্চের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো সচল ছিল কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।

লঞ্চটির চাঁদপুর ঘাটের সুপারভাইজার আজগর আলী বলেন, ঢাকা-চাঁদপুর রুটে সবচেয়ে জনপ্রিয় লঞ্চ ময়ূর-৭। এটি প্রতিদিন চাঁদপুর থেকে রাত সোয়া ১২টায় ছাড়ে। ঢাকা থেকে ছাড়ে বেলা দেড়টায়। এতে ৫০০-৬০০ যাত্রী যাতায়াত করে থাকেন। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চটি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প হিসেবে অন্য লঞ্চ চলাচল করবে।