ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বৃহস্পতিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগ করেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বৃহস্পতিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগ করেন

ভোট দেওয়ার পর ফলাফল নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন: জোনায়েদ সাকি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির শরিক দলের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ভোট আপনার অধিকার, সেই অধিকার প্রয়োগ করুন। ভোট দেওয়ার পর গণনা শেষে ফলাফল নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন। সাকি বলেন, ‘শহীদেরা রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। ১২ তারিখে বিএনপির নেতৃত্বে যুগপৎ সরকার গঠিত হবে। এই নির্বাচন আর আমার নির্বাচন নয়, এই নির্বাচন আপনাদের প্রত্যেকের নির্বাচন।’

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘আমাদের খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে হবে। বয়স্ক নারী-পুরুষ যাঁরা স্বাবলম্বী না, তাঁদের নানা সহায়তা দরকার। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে তাঁদের সমস্ত ভাতা যেন পান, সেইটা আমরা নিশ্চিত করব। কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, মসজিদের ইমাম ও অন্যান্য ধর্মের পুরোহিতেরা বিশেষ ভাতা পাবেন। কৃষিঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ মওকুফ করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক বলেন, ‘আমাদের প্রবাসীরা টাকা পাঠান, সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আনে। তাঁরা যাতে এই টাকা বিনিয়োগ করার জায়গা পান, সেই পরিবেশ আমরা তৈরি করব। অনেক পরিকল্পনা ও স্বপ্ন আছে। বাঞ্ছারামপুরকে সবার জন্য নিরাপদ করতে চাই। তরুণেরা যেন মাদকের শিকার না হন। আমরা যেন একসঙ্গে থাকতে পারি।’

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের প্রযুক্তিগত শিক্ষায় দক্ষ করতে হবে। বিশ্বমানের জ্ঞান ও দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে, যাতে আমাদের তরুণেরা ঘরে বসেই বিশ্ববাজারে কাজ করার সুযোগ পান। আমাদের নদী-নালা, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। চব্বিশে আমাদের তরুণেরা বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।’

গণসংযোগকালে অন্যদের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মূসা, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক লিয়াকত আলী, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা বশীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।