কুমিল্লার হোমনায় স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে ওই গৃহবধূ হোমনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
মামলায় উপজেলার ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমানকে (২৪) প্রধান আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও কয়েকজনকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর স্বামী হোমনা পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। বুধবার রাতে তাঁরা অটোরিকশায় করে পাশের তিতাস উপজেলায় গৃহবধূর বাবার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। হোমনা কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর আশিকুর রহমান ও তাঁর সহযোগীরা অটোরিকশাটির গতি রোধ করেন। এরপর তাঁরা জোরপূর্বক অটোরিকশাসহ দম্পতিকে পাশের একটি রাস্তায় নিয়ে যান।
এজাহারে আরও বলা হয়, সেখানে আশিকুর ও তাঁর দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখেন এবং অন্যরা তাঁর স্বামী ও চালককে ভয়ভীতি দেখিয়ে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় আশিকুর ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারী ভোররাত চারটার দিকে স্বামীসহ থানায় এসে অভিযোগ করেন। খবর পাওয়ার পরপরই তাঁদের সঙ্গে নিয়ে আমরা অভিযানে নামি। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।’
ওসি আরও জানান, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী নারীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।