
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আখতার হোসেনকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব অভিযোগ করেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ শেষে বিকেল পাঁচটার দিকে কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ মডেল ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রে গেলে বিএনপির কর্মীরা তাঁকে অবরুদ্ধ করেন।
আখতার হোসেন বলেন, ‘আমি একজন প্রার্থী, ভোট গণনার সময় উপস্থিত থাকতে পারি। কোন কেন্দ্রে কতটা ভোট গ্রহণ হয়েছে, সেটা জানার জন্য বিভিন্ন কেন্দ্রে যেতে পারি। দুর্ভাগ্যের বিষয়, হারাগাছ মডেল ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রে এসে ঢোকার পর বিএনপির হাজারের মতো কর্মী আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাঁরা আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। আমি যখন বের হয়ে আসতে চাই, তাঁরা আমাকে জীবননাশের হুমকি দেন।’
রংপুর মহানগর এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর নয়ন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা অন্তত ২০ মিনিট অবরুদ্ধ ছিলেন। পরে সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। সেখান থেকে যাওয়ার পথে বিএনপির সমর্থকেরা তাঁদের গাড়ির কাচ ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর নির্বাচনী ব্যক্তিগত সহকারী মোস্তাকিন কিরণ বলেন, আখতারকে অবরুদ্ধ করা হয়নি। উল্টো তিনি কেন্দ্রে এসে বিএনপির কর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। তাঁর লোকজন বিএনপির প্রার্থীর গাড়ির কাচ ভেঙে দিয়েছেন।
হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘(আখতার) ওখানে গিয়েছিল, লোকজন গেদারিং করেছিল। আমরা গেলে লোকজন খালি হয়ে যায়। আমরা জাস্ট ওনার গাড়িকে সাপোর্ট করেছি। ওনি বের হয়ে গেছে।’