নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী হলের দেয়ালে আপত্তিকর চিত্র আঁকার ঘটনায় বিক্ষোভরত ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন হল প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা। গতকাল রাত বারোটায় হযরত বিবি খাদিজা হলে
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী হলের দেয়ালে আপত্তিকর চিত্র আঁকার ঘটনায় বিক্ষোভরত ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন হল প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা। গতকাল রাত বারোটায় হযরত বিবি খাদিজা হলে

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রী হলের দেয়ালে আপত্তিকর ছবি, নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ছাত্রী হলের দেয়ালে নারীর আপত্তিকর চিত্র আঁকার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর মধ্যরাতে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রীরা। গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হযরত বিবি খাদিজা হলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁরা হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থী ও হল প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হযরত বিবি খাদিজা হলের চারতলায় সংস্কারকাজ চলছে। গতকাল বিকেলে কয়েকজন ছাত্রী চারতলার সিঁড়িঘরের দেয়ালে এক নারীর আপত্তিকর চিত্র দেখতে পান। পরে তাঁরা বিষয়টি হল প্রশাসনকে জানান। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকাদারের নিয়োজিত শ্রমিকদের কেউ ওই চিত্র এঁকেছেন।

সন্ধ্যায় হল প্রশাসন ঠিকাদারকে ডেকে পাঠালেও কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা শনাক্ত করতে পারেনি। পরে ঠিকাদারের লোকজন চিত্রটি মুছে ফেলেন। রাত ১১টার দিকে অন্য শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানলে হলের ভেতরেই বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর তাঁরা সেখান থেকে হলের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে হলের বাইরে গিয়েও তাঁরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা ‘ছাত্রী হল অনিরাপদ, প্রশাসন নীরব কেন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে ছাত্রীরা সেখান থেকে নিজ নিজ কক্ষে ফিরে যান।

হযরত বিবি খাদিজা হলের প্রভোস্ট আবদুল কাইয়ুম মাসুদ প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষার্থীরা দেয়ালে আঁকা একটি চিত্রের বিষয়ে প্রশাসনকে জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা করা হলেও কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। পরে চিত্রটি মুছে ফেলা হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।