মামলা
মামলা

বাগেরহাটে শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাত বছর বয়সী শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে নিহত শিশুর বাবা মোল্লাহাট থানায় মামলাটি করেন। এতে চার প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জাহাঙ্গীর শেখ (৫৫) ও তাঁর দুই ছেলে রমজান (১৯) ও আব্দুর রহমান (২৭)। জাহাঙ্গীর পানের বরজ ও কৃষিকাজ করেন।

শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, শনিবার বিকেল পাঁচটার পর থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের মধ্যপাড়ায় একটি পানের বরজের পাশে পুকুরপাড়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান স্বজনেরা। রাত নয়টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। লাশের পাশে একটি পানির বোতলও পাওয়া যায়।

লাশ উদ্ধারের পর হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর শেখের বাড়িতে হামলা চালান একদল বিক্ষুব্ধ লোক। তাঁরা বাড়িঘর ও পানের বরজে আগুন দেন। ভাঙচুর ও লুটপাটও করা হয়। আগুনে জাহাঙ্গীরের বসতঘর, গোয়ালঘর, রান্নাঘর, দুটি খড়ের গাদা ও একটি পানের বরজ পুড়ে যায়।

নিহত শিশুর বাবা জানান, তাঁর মেয়ে নিয়মিত জাহাঙ্গীরের মেয়ের সঙ্গে খেলতে তাঁদের বাড়িতে যেত। শনিবার বিকেলেও সে সেখানে খেলতে গিয়েছিল।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, তিনজনকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।