পদ্মা নদীর তীরে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৪০ থেকে ৫০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। গতকাল শুক্রবার রাতে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজারে
পদ্মা নদীর তীরে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৪০ থেকে ৫০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। গতকাল শুক্রবার রাতে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজারে

শরীয়তপুরে দোকান নির্মাণ নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, ৪০-৫০টি ককটেলের বিস্ফোরণ

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরে দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় অর্ধশতাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সংঘর্ষে দুপক্ষের আট ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কেদারপুর এলাকার রাসেল ব্যাপারী ও রাজীব ছৈয়ালের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নড়িয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন রাসেল ব্যাপারী নামের এক ব্যক্তি। সেই দোকানঘর নির্মাণে বাধা দেন স্থানীয় রাজিব ছৈয়ালের লোকজন। এ ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। গতকাল সন্ধ্যায় দুই পক্ষের সমর্থকেরা মুলফৎগঞ্জ বাজারে নদীর তীরবর্তী এলাকায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দেন। পরে রাত নয়টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়ান।

কয়েক দফা সংঘর্ষে ৪০ থেকে ৫০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত আট ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাঁদের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের সময় নদীর তীরে নির্মাণ করা দুটি টংদোকান ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

ঘটনার পর থেকে রাসেল ব্যাপারী ও রাজীব ছৈয়াল আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাঁদের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ‘একটি চটপটির দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। হাসপাতালে কয়েকজন আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে বলে খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’