চাকরির খোঁজে বের হয়ে ধর্ষণের শিকার নারী, গ্রেপ্তার ৩

ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

নতুন চাকরি খুঁজতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন গজারিয়া এলাকায় এক নারী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে ৪ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর করা মামলায় আজ মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মুঠোফোনে ধর্ষণের ভিডিও পাওয়া গেছে। আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার ডিউর গ্রামের হৃদয় মিয়া (২০), একই জেলার ত্রিশাল উপজেলার বিয়ারা গ্রামের নাঈম ইসলাম (১৮) ও গাজীপুর সদর থানার গাজারিয়া এলাকার মোসাদ্দেক হোসেন ওরফে অপু (৩২)।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর জেলার ভবানীপুর এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করতেন ওই নারী। দুই মাস আগে তাঁর মা অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি গ্রামে চলে যান। ফিরে এসে দেখেন তাঁর চাকরি চলে গেছে। পরে তিনি বিভিন্ন স্থানে চাকরি খুঁজতে থাকেন। ৪ ফেব্রুয়ারি ওই নারী সকালে নতুন চাকরির সন্ধানে একটি কারখানায় যান।

মামলার এজাহার থেকে আরও জানা যায়, গজারি বনের ভেতরের রাস্তা দিয়ে হেঁটে ভাড়া বাসায় ফেরার সময় স্থানীয় বখাটে মোসাদ্দেক হোসেন ওই নারীর মুখ চেপে ধরে গজারি বনের ঝোপের মধ্যে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করেন তিনি। ধর্ষণ শেষে মুঠোফোনে দুই বন্ধুকে ডেকে আনেন মোসাদ্দেক। তাঁরাও ওই নারীকে ধর্ষণ করেন এবং মুঠোফোনে এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। ধর্ষণের ঘটনাটি কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ওই নারীকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান ওই তিন তরুণ।

গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম বলেন, ওই নারী নিজেই বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে আজ ভোরের দিকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মুঠোফোনে থেকে ওই নারীকে ধর্ষণের ভিডিও পাওয়া গেছে।