
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গলায় ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত কর্মচারী ফজলুর রহমান সাড়া দিচ্ছেন। কিছু জিজ্ঞাসা করলে তিনি কলম দিয়ে লিখে উত্তর দিতে পারছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম। তিনি বলেন, ‘ফজলুর রহমানকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা আছে। তাঁকে ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। চোখ মেলে তাকাচ্ছেন। কিছু জানতে চাইলে কলম দিয়ে লিখতে পারছেন। রাতেই পুলিশের কর্মকর্তারা দুই পাতার লিখিত বক্তব্য নিয়ে গেছেন। ফজলুরের পরিবার আসছে। তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা।’
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত শিক্ষক আসমা সাদিয়ার স্বজনেরা আজ সকাল আটটার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গের সামনে আসেন। তাঁরা ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় আছেন। সকাল নয়টার দিকে মর্গের সামনে কথা হয় আসমার মামা সাইফুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দুপুরে জানাজা শেষে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে তাঁর দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
মামা সাইফুল ইসলাম বলেন, তাঁর বোনের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। আসমা তাঁর একমাত্র ভাগনি। দুই ভাগনের মধ্যে একজন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। আরেকজন উচ্চমাধ্যমিকে পড়েন। আসমার বাবা শ ম আশিকুল হক এলজিইডিতে চাকরি করতেন।
গতকাল বুধবার বিকেল চারটার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।