
কুমিল্লার তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল হোসেনকে (৪০) গুলি করে হত্যার দুই দিন পর মামলা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহত জামাল হোসেনের স্ত্রী পপি আক্তার বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলাটি করেন। এতে নয়জনের নাম উল্লেখ এবং সাত থেকে আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার তথ্য প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহিদুল্লাহ প্রধান। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাত সোয়া আটটার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজার ঈদগাহ এলাকায় বোরকা পরা তিন দুর্বৃত্ত জামাল হোসেনকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। তাঁর কপাল ও বুকে গুলি লাগে। এরপর তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্ত শেষে জামাল হোসেনের লাশ কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে নেওয়া হয়। গতকাল মাগরিবের নামাজের পর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুই দফা জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, জামাল হোসেন গৌরীপুর বাজারে ইট, বালু ও থাই গ্লাসের ব্যবসা করতেন। কয়েক বছর আগে গৌরীপুর মোড়ে খুন হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা মনির হোসেনের অনুসারী ছিলেন জামাল হোসেন। তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিবদমান পক্ষগুলোর দ্বন্দ্বের জেরে ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তিনি খুন হয়েছেন বলে ব্যবসায়ীরা মনে করেন।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ আলমগীর হোসেন ভূঞা বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে।