ডিএসসিসির উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্মানে বিশেষ ইফতার। আজ বুধবার ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান কার্যালয় নগর ভবন প্রাঙ্গণে
ডিএসসিসির উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্মানে বিশেষ ইফতার। আজ বুধবার ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান কার্যালয় নগর ভবন প্রাঙ্গণে

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার সবার আগে: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্মানে বিশেষ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান কার্যালয় নগর ভবন প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও অবদানের কারণেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। তাই তাঁদের সম্মান ও অধিকার সবার আগে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আমলে যাঁরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের জন্যও কাজ করতে হবে।

এ সময় ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, আগামী স্বাধীনতা দিবসে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ। আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর এবং সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খাঁন।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার নিয়ে গঠিত অরাজনৈতিক ও মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলিও অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করেন।
ডিএসসিসি সূত্র জানায়, অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের ছয় শতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারের আগে আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মানে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করার পাশাপাশি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান এবং ন্যায়বিচারের দাবি তোলেন।