কনকনে শীত কাজে বেরিয়েছেন কর্মজীবীরা
কনকনে শীত কাজে বেরিয়েছেন কর্মজীবীরা

এ মাসে ৫টি শৈত্যপ্রবাহ, একটি তীব্র হতে পারে

চলতি জানুয়ারি মাসে দেশে চার থেকে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতি মাসে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেয়। চলতি জানুয়ারি মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে দু–তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক–দুটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলে গণ্য করা হয়। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এই পূর্বাভাসের বিষয়ে আজ প্রথম আলোকে বলেন, এ মাসে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। ইতিমধ্যে একটি শুরু হয়ে গেছে। আরও অন্তত দুই দিন এর প্রভাব থাকতে পারে।

এ মাসে বিশেষ করে নদী অববাহিকা এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা হতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। কখনো কখনো কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের পার্থক্য কমে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে।

ডিসেম্বরে অস্বাভাবিক কম বৃষ্টি

পূর্বাভাসে গত ডিসেম্বর মাসের আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়। বলা হয়, ওই মাসে ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ বৃষ্টি কম হয়েছে। সবচেয়ে কম হয়েছে সিলেট, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে। ওই পাঁচ বিভাগে আসলে কোনো বৃষ্টিই হয়নি। ডিসেম্বর মাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।