রাজধানী ঢাকায় আজ শনিবার সকালে গতকাল শুক্রবারের মতোই কুয়াশায় ঢাকা। গতকাল দুপুরের দিকে রোদের মুখ দেখা গিয়েছিল কিছু সময়। তারপর আবার মিলিয়ে যায়। আজ অবশ্য রাজধানীর তাপমাত্রা গতকালের চেয়ে কমেছে, বেড়েছে শীতের প্রকোপ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর তাপমাত্রা আগামী দু-এক দিন এমনই থাকতে পারে। বৃষ্টি না হলে কুয়াশা কাটার সম্ভাবনা কম। আর আজ রাজধানীতে রোদের মুখ দেখা যাবে। গতকালের চেয়ে আজ রোদ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারে।
আজ রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল এ তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আর আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের তিন স্থানে এ তাপমাত্রা আছে। সেই স্থানগুলো হলো নওগাঁর বদলগাছি, পাবনা ও রাজশাহী। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে, ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসাবে, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়েছে। গত দুই দিন থেকেই ধারাবাহিকভাবে দেশের তাপমাত্রা বাড়ছে। তবে রাজধানীতে আজ তাপমাত্রা কমে গেল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীতে গতকাল সূর্যের আলো বেশিক্ষণ থাকেনি। আজও নেই। এ পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা খানিকটা কমে গেছে। তিনি বলেন, আজ দুপুরের দিকে রাজধানীতে সূর্যের মুখ দেখা যেতে পারে।
আজ রাজধানী ঢাকা, উত্তর–পূর্বাঞ্চলের সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে কুয়াশা আছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র। তবে খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর অঞ্চলে তেমন কুয়াশা নেই বলেই জানান হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বৃষ্টি না হলে ঢাকা বা দেশের পূর্ব বা উত্তর–পূর্বাঞ্চলের কুয়াশা কাটার সম্ভাবনা কম। এখন যে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, তা আরও কয়েক দিন থাকতে পারে।
যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলে গণ্য করা হয়। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।