ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কায় মৎস্য বিভাগের অভিযানে থাকা একটি স্পিডবোট ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে স্পিডবোটে থাকা সাতজনের মধ্যে ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এক পুলিশ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার রাতে ভোলার লালমোহন উপজেলার মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবলের নাম মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি লালমোহন থানার আওতাধীন মঙ্গল শিকদার পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের কনস্টেবল। তাঁকে উদ্ধারে গতকাল বুধবার রাতে ও আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ, নৌ পুলিশ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কোস্টগার্ডের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
লালমোহন মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ জানায়, জাটকা সংরক্ষণে মেঘনা সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতে চলছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে বুধবার রাত আটটার দিকে মঙ্গল শিকদার ফাঁড়ির পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের লোকজন মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট থেকে একটি স্পিডবোট নিয়ে বের হন। স্পিডবোটটি ছাড়ার পরপরই ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। তখন তীব্র স্রোতে স্পিডবোটটি ঢাকা থেকে আসা কর্ণফুলী লঞ্চের তলায় ঢুকে পড়ে তলিয়ে যায়। এতে মৎস্য বিভাগের তিনজন এবং পুলিশের চারজন সদস্য মেঘনা নদীতে নিখোঁজ হন। এ সময় ঘাটের কাছে থাকা স্থানীয় জেলেরা একটি ট্রলার নিয়ে এসে একজন পুলিশ সদস্য বাদে সবাইকে জীবিত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আজ বেলা একটার দিকে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. অলিউর ইসলাম জানান, বুধবার রাত থেকে আজ এখন পর্যন্ত নৌ পুলিশ, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের সন্ধান করছেন। কিন্তু তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।