জাতীয় প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা আজ মঙ্গলবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়
জাতীয় প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা আজ মঙ্গলবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়

জাতীয় প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পরবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে ঈদের পর নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়।

আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া।

প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এজিএমে আলোচিত বিষয় ও সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদের পর সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান, নতুন সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যা তুলে দেওয়া, ভোট প্রদানের জন্য প্রবেশন পিরিয়ড ১ বছরের পরিবর্তে ৬ মাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ইতিমধ্যে সদস্যপদ স্থগিত হওয়া ইলিয়াস খান ও সরদার ফরিদ আহমদকে প্রেসক্লাব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বার্ষিক সাধারণ সভা শুরু হয় গত বছরে প্রেসক্লাবের যেসব সদস্য মারা গেছেন, তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে। এরপর সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কোষাধ্যক্ষ বখতিয়ার রাণা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, শাহনাজ বেগম পলি, সৈয়দ আবদাল আহমদ, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, কাদের গনি চৌধুরী, আবদুল হাই শিকদার, মাসুমুর রহমান খলিলী, এ কে এম মহসীন।

প্রতিবেদনগুলোর ওপর আলোচনায় অংশ নেন প্রেসক্লাবের ২৮ জন সদস্য। আলোচনায় উঠে আসা তাদের প্রস্তাবগুলো বিবেচনা ও বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।