ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতে ‘স্বর্ণের হার’ তুলে দেন অভিনেত্রী ও মডেল মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এ সময় নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন
ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতে ‘স্বর্ণের হার’ তুলে দেন অভিনেত্রী ও মডেল মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এ সময় নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন

নগদে রেমিট্যান্স নিয়ে স্বর্ণের হার জিতলেন ফরিদপুরের বন্যা

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স বৈধ পথে দেশে আনার বিষয়ে উৎসাহিত করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী হয়েছেন বন্যা খাতুন। ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার এই নারী দুবাইপ্রবাসী স্বামী মো. ফরিদের পাঠানো রেমিট্যান্স নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করে পুরস্কার হিসেবে জিতেছেন স্বর্ণের হার।

গত মঙ্গলবার ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে ‘স্বর্ণের হার’ তুলে দেন অভিনেত্রী ও মডেল মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এ সময় নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

স্বর্ণের হার উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত বন্যা খাতুন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত হন দুবাইপ্রবাসী ফরিদের সঙ্গে। ফরিদকে শুভেচ্ছা জানান অভিনেত্রী টয়া। এ সময় ফরিদ বলেন, ‘নগদে এমন একটা ক্যাম্পেইন চলছে, সেটা জানতাম। কিন্তু পুরস্কার হিসেবে প্রথম স্বর্ণের হারটা যে আমার ঘরেই আসবে, সেটা ভাবিনি। দুবাই থেকে আমি পরিবারের জন্য নিয়মিত নগদের মাধ্যমেই রেমিট্যান্স পাঠাই। নগদকে ধন্যবাদ।’

এ বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময়ই তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে থাকা পরিবারের কাছে পাঠান। যা আমাদের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ঈদের আগে বিদেশ থেকে আসা অর্থের অঙ্ক আরেকটু বড় হয়। সেটিকে আরও আনন্দময় করতেই “হার না মানা হার” ক্যাম্পেইন চালু করি। আশা করি, প্রবাসী ও তাঁর স্বজনদের জীবনে স্বর্ণের হার জেতাটা একটি স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে।’

ক্যাম্পেইনটির আওতায় প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিট্যান্স পাঠালেই দেশে থাকা প্রিয়জন পাচ্ছেন স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ।