রাজধানীর মিরপুর ১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তিন শতাধিক বেসরকারি ও নাগরিক সংগঠনের জোট সিএসও অ্যালায়েন্স।
এক বিবৃতিতে জোটটি জানায়, ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল কেন্দ্রটির নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে টিকা, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও টাকা লুট করে। পরে ভারী যন্ত্র দিয়ে কেন্দ্রের ভবনগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে ত্রিপলের অস্থায়ী তাঁবুতে শিশুদের টিকাদান চললেও বেশির ভাগ সেবা বন্ধ রয়েছে।
জোটটি বলেছে, প্রায় পাঁচ দশক ধরে রাড্ডা সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বে দরিদ্র মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। জমি নিয়ে বিরোধের মীমাংসা আইনি প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত, শক্তি প্রয়োগ করে নয়। এ ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারের তথ্য এবং পুলিশের ভূমিকা তদন্তের ঘোষণা ও টিকাদান চালু রাখার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়েছে তারা।
সিএসও অ্যালায়েন্স হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও অংশগ্রহণকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনের আওতায় আনা, তদন্তের ফল প্রকাশ, রাড্ডার নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং লুট হওয়া টিকা ও সামগ্রী প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন রাশেদা কে চৌধূরী, শাহীন আনাম, সারা হোসেন, আসিফ সালেহ্, শিব নারায়ণ কৈরী, হাসিন জাহান, এ কে এম মুসা, কে এ এম মোর্শেদ ও সাঈদ আহমেদ।