টিকার ঘাটতি দূর করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টিকা আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। কত দিনের মধ্যে টিকা আনা হবে, এমন প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ বলতে না পারলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা আনব।’
আজ সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
দেশে এখন হামের কী অবস্থা, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাম হচ্ছে, আমরা মোকাবিলা করছি।’ সে জন্য আরও ২০টি ভেন্টিলেটর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি আরও বেশি চিকিৎসক ও নার্সকে চিকিৎসায় যুক্ত করার কথাও বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সরকার সফলভাবে হাম মোকাবিলা করে যাচ্ছে দাবি করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের মানুষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। দ্রুততম সময়ের মধ্যে টিকাদান বাড়ানো সরকারের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
টিকা কেনার ক্ষেত্রে জটিলতার কারণে দেশে টিকার সংকট চলছে। কেন্দ্রীয় গুদামে ১০টি রোগের টিকার মজুত শূন্যে নেমেছে। এদিকে চলতি মাসে হামে দেশে ৪১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
শিশুদের টিকা প্রদান নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘২০১৮ সালে একটা ক্যাম্পেইন হয়েছে, এরপরে কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। এখন যে মিজেলসগুলো (হাম) হচ্ছে, ওদের মধ্যে যে আউটব্রেক (প্রাদুর্ভাব) হয়েছে, যারা ভ্যাকসিনেটেড না তাদের মধ্যে বেশি করে, মারাত্মকভাবে মিজেলসটা দেখা দিয়েছে।’
দেশে বিদ্যমান টিকার ঘাটতি মোকাবিলায় বিভিন্ন টিকা কিনতে সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
দেশে হামের সংক্রমণ বেড়েছে স্বীকার করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গতকাল রোববার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আট বছর আগে হামের টিকা দেওয়া হয়েছিল। এরপর আর দেওয়া হয়নি।