পূর্ণিমায় চন্দ্রগ্রহণ, চাঁদের রং বদল

চলতি বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা ঘটেছে ৩ মার্চ, মঙ্গলবার। এদিন সন্ধ্যায় হয় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। পূর্ণিমার এই রাতে আকাশে দেখা চাঁদের নাম ‘ব্লাড ওয়র্ম মুন’, যেটি ছিল আসলে একটি বিশেষ রক্তিম চাঁদ। মার্চ মাসের পূর্ণিমাকে ঐতিহ্য অনুযায়ী বলা হয় ‘ওয়র্ম মুন’। বসন্তের শুরুতে মাটি উষ্ণ হলে কেঁচো বা পোকামাকড়ের লার্ভা মাটির ওপরে উঠে আসে। এর সঙ্গে মিলিয়ে নাম রাখা হয়েছে ‘ব্লাড ওয়র্ম মুন’। যাঁরা ৩ মার্চের এই চাঁদটি দেখেননি, এমন পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখতে তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মঙ্গলবার পাবনা সদরের পদ্মা ঘাট এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সময়ে ছবিগুলো তুলেছেন প্রথম আলোর পাবনার আলোকচিত্রী।

সন্ধ্যায় সূর্য ডুবে আঁধার নামলে পূর্ব আকাশে উঁকি দেয় রক্তিম চাঁদ
সন্ধ্যায় সূর্য ডুবে আঁধার নামলে পূর্ব আকাশে উঁকি দেয় রক্তিম চাঁদ
‘ব্লাড ওয়র্ম মুন’ হয় যখন পূর্ণিমা বা পূর্ণ চাঁদের সময় পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ ঘটে
পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে আসে, তখন চন্দ্রগ্রহণ হয়
তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে
‘ব্লাড ওয়র্ম মুনে’ চাঁদ গাঢ় লাল বা তামাটে আভা ধারণ করে
এই পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হয় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে
এই পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হয় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে
একটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ কিন্তু হঠাৎ করেই লাল হয়ে যায় না, এটি ধাপে ধাপে নিজের রং বদলায়
শুরুতে চাঁদকে কিছুটা ধূসর দেখায়, এরপর ধীরে ধীরে তা কমলা এবং সবশেষে গাঢ় লাল রং ধারণ করে
তবে এই লাল রং কতটা উজ্জ্বল হবে, তা নির্ভর করে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ওপর। যদি বায়ুমণ্ডলে ধূলিকণা বেশি থাকে, তবে চাঁদকে অনেক বেশি গাঢ় এবং রক্তবর্ণ দেখায়
লাল থেকে ধীর ধীরে ধূসর রঙে ফিরে আসে চাঁদ