প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলেন। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সরকারের বিভিন্ন  কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলেন। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে

স্থানীয় নির্বাচনে আ.লীগের নেতা–কর্মীদের অংশগ্রহণ প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

জাহেদ উর রহমানের মতে, নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করলে ব্যক্তি হিসেবে যে কেউ আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন; এ বিষয়ে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।

সরকারের কর্মকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরতে আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এ কথাগুলো বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক জানতে চান, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে, সেখানে আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যাঁরা বাংলাদেশে আছেন, তাঁদের অনেকেই নির্বাচনে ইচ্ছুক বা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সরকার সেই স্পেস (সুযোগ) দেবে কি না? যেহেতু নির্দলীয় নির্বাচন হতে যাবে; এ বিষয়ে সরকারের অবস্থানটা কী হবে?

এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের....কারণ, এটা নির্দলীয়। কেউ দলের কথা বলবেন না এবং তিনি যদি তাঁর প্রচারে...এটা হতে পারে। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি এলেন, কিন্তু প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাঁদের যা যা বলার সেটা বলেন, সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তাঁর যে ক্রাইটেরিয়া আছে নির্বাচনটি করার জন্য, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, নিশ্চয়ই পারেন।’

তখন আরেকজন সাংবাদিক জানতে চান, যদি পদপদবি থাকে, সে ক্ষেত্রে? জবাবে উপদেষ্টা জাহের উর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পদপদবি, আসলে যেটা হয় আরকি, যেহেতু সংগঠনের কর্মসূচি নিষিদ্ধ আছে, সংগঠন নিষিদ্ধ নেই। কর্মসূচি যেহেতু নিষিদ্ধ আছে, এই পদপদবি তিনি আসলে ব্যবহার করছেন না, করতে পারেন না। ব্যক্তি হিসেবে যে কেউ, যদি ক্রাইটেরিয়া (শর্তাবলি) যা আছে, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি যদি মনে করেন নির্বাচন করবেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।’

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সমসাময়িক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন উপদেষ্টা।