ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ইনকিলাব মঞ্চ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ওসমান হাদির সমাধিস্থলের সামনের রাস্তায় এসে শেষ হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ইনকিলাব মঞ্চ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ওসমান হাদির সমাধিস্থলের সামনের রাস্তায় এসে শেষ হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে

৭ দিনের মধ্যে হাদি হত্যাকারীদের সুনির্দিষ্ট তথ্য চায় ইনকিলাব মঞ্চ, বিক্ষোভ মিছিল

শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় জড়িত দেশীয় খুনিদের চিহ্নিত করা, পলাতক খুনিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যাকাণ্ডে ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে আগামী শুক্রবারের মধ্যে সরকার যদি হাদি হত্যাকারীদের নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা তাদের বিচার নিশ্চিত করতে সময়সীমা দিতে না পারে তাহলে জনগণকে নিয়ে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করারও ঘোষণা দেয় ইনকিলাব মঞ্চ।

আজ শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ওসমান হাদির সমাধিস্থলের সামনের রাস্তায় এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার তিন মাস হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত সরকার ওসমান হাদির বিচারের ব্যাপারে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রণয়ন করতে পারেনি। সরকার বারবার বলছে হত্যাকারীকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়া কিয়ামত পর্যন্ত চলবে কি না সেটা আমরা জানতে চাই।’

আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বক্তব্য দিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত ছিল সেই বক্তব্য আমলে নিয়ে এর সত্য–মিথ্যা ঘটনা উদ্‌ঘাটন করার। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বললেন যে পরাজিত প্রার্থীর কোনো কথা তাঁরা আমলে নিচ্ছেন না।

আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে তাঁরা নিজেদের পক্ষ থেকে আর কোনো দফা বা আলটিমেটাম দেবেন না। এখন আলটিমেটাম ও দফা সরকার দেবে বলে জানান তিনি।

ইনকিলাব মঞ্চ এখন চূড়ান্ত আন্দোলনের দফা বা আলটিমেটাম দেবে বলেও জানান আবদুল্লাহ আল জাবের। আগামী সাত দিনের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট দুটি কথা শুনতে চান বলে জানান তিনি। আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘প্রথমত জাতিসংঘের অধীনে একটি তদন্ত হওয়ার কথা ছিল। জাতিসংঘ তদন্তের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে নাকি তারা বারণ করে দিয়েছে, এটা আমরা সরকারের কাছ থেকে শুনতে চাই। দ্বিতীয়ত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে এটা সুস্পষ্ট যে হাদি হত্যায় ভারত ও বাংলাদেশের যোগসূত্র রয়েছে। তাই আমি মনে করি সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে কীভাবে এই খুনের বিচার দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা যায় সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’