অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ফজলুল হত্যা মামলার বিচার শুরু

অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলুল করিম খান
অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলুল করিম খান

অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলুল করিম খান হত্যা মামলায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার শুরু হলো। ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফয়সল আতিক বিন কাদের আজ বুধবার এই আদেশ দেন। প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম সাহাদাত আলী।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন শাহরিয়ার আসিফ, মো. রতন, এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন, ওয়াসিম আহমেদ, এনামুল হক, সেলিম, মো. ইমাম হোসেন, অর্পণ আহমেদ, মো. শাহজালাল, মো. হাবেল, কাজী মাসুদ পারভেজ, আল আমীন, হাসান আবদুল বাকী, আবু বকর ছিদ্দিক, হেমায়েত হোসেন, রুহুল আমিন, শফিকুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মো. মুন্না, হাজী বাবু, বিপ্লব হোসেন, নাসির শেখ, মো. মামুন ও মো. সুজন। মামলার ১৩ জন আসামি জামিনে আছেন। ১২ জন পলাতক।

২০১৩ সালের ২৯ আগস্ট রাজধানীর পশ্চিম রামপুরার বাড়িতে ঢুকে দুর্বৃত্তরা ফজলুল করিম খানের স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁকে (ফজলুল) গুলি করে হত্যা করে। ফজলুল করিম সর্বশেষ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কর্মরত ছিলেন। নিহত হওয়ার ছয় বছর আগে তিনি অবসরে যান। ফজলুল করিমের মৃত্যুর পরদিন রামপুরা থানায় হত্যা মামলা হয়।

চার বছর তদন্ত শেষে ২০১৭ সালে ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তবে অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি জমা দেওয়া হলে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এরপর ২০১৮ সালের ২০ মে ২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় সিআইডি।

অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, সমাজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা ফজলুল করিম। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। খুন হওয়ার দেড় মাস আগে শাহরিয়ার আসিফ নামের একজন আসামিকে ফেনসিডিলসহ ধরিয়ে দেন তিনি। এরপর তিনি খুন হন।