ওএইচসিএইচআরের বিবৃতির জবাবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক পত্র

জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে দেওয়া কূটনৈতিক পত্রে ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে।
জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে দেওয়া কূটনৈতিক পত্রে ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) দেওয়া সাম্প্রতিক বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে কূটনৈতিক পত্র দিয়েছে বাংলাদেশ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে এ কূটনৈতিক পত্র দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গতকাল বুধবার ওএইচসিএইচআরের সাম্প্রতিক ওই বিবৃতির বেশ কিছু বিষয় ত্রুটিপূর্ণ বলে দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। সরকার এর প্রতিবাদ জানাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ওএইচসিএইচআর গত ৩১ অক্টোবর তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের সংকটের এ সময়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে সরকারকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের সময় ও নির্বাচন–পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সব নাগরিকের মানবাধিকার সমুন্নত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

এ বিবৃতির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘অনেকগুলো বর্ণনা বেশ ত্রুটিপূর্ণ এবং আসল ঘটনার বিবর্জিত। আমরা এর একটা প্রতিবাদ পাঠাব। আমরা মনে করি, তারা যথাযথভাবে অবহিত নয়। তাদের তথ্যে ঘাটতি আছে। এ রকম প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যে ঘাটতি থাকা খুবই দুঃখজনক।’

জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে ১ নভেম্বর কূটনৈতিক পত্র দেওয়া হয়েছে। এতে ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। কূটনৈতিক পত্রে বলা হয়েছে, বিএনপির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কিছু শর্তে বিএনপিকে তাদের দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়। তবে বিএনপির কর্মীরা নির্বিচারে রাস্তায় সহিংসতা চালায়, অগ্নিসংযোগ করে এবং ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এ ধরনের ব্যাপক সহিংসতার প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, নিরপরাধ ব্যক্তি, নাগরিক, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সম্পত্তি।