এম এইচ এম ফাইরোজ
এম এইচ এম ফাইরোজ

নতুন প্রযুক্তি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে

দেশে এসির বাজার বড় হচ্ছে। বছর বছর তাপমাত্রা যেমন বাড়ছে তাতে এসি আর নিছক বিলাস দ্রব্য নয়; অনেক ক্ষেত্রেই তা প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতায় আজ প্রথম আলো দেশের এসির বাজার নিয়ে বিশেষ আয়োজন করেছে। এই আয়োজনে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এম এইচ এম ফাইরোজ

প্রশ্ন

এই গরমে এসির বাজার কেমন চলছে?

এম এইচ এম ফাইরোজ: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে মানুষ স্বস্তি পেতে চান এবং এ সময় এসির চাহিদা এবং বিক্রি বেড়ে যায়। সিঙ্গার ব্র্যান্ডের এসি বিক্রির ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। এপ্রিল মাসে, আমাদের বিক্রির সর্বোচ্চ টার্গেট ছিল। এলসি পরিস্থিতি আমাদের অনুকূল থাকলে এসি বিক্রির এই মৌসুমে আমরা আরও ভালো করতে পারতাম।

প্রশ্ন

ক্রেতারা এসি কেনার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেন?

এম এইচ এম ফাইরোজ: ক্রেতারা যখন একটি এসি কেনার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁরা সাধারণত এসির ক্যাপাসিটি, মূল্য, এনার্জি ইফিসিয়েন্সি, এয়ার কোয়ালিটি, ইনস্টলেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বিবেচনা করেন। 

প্রশ্ন

আপনার কোম্পানি শীতাতপনিয়ন্ত্রণ শিল্পে সাম্প্রতিক কোন উদ্ভাবন চালু করেছে?

এম এইচ এম ফাইরোজ: আমরা আমাদের ‘গ্রিন ইনভার্টার’ প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের নতুন মডেলের এসিতে আর-৩২ গ্যাস সংযুক্ত করেছি, যা পরিবেশের ওজোন স্তরকে রক্ষা করে। আমাদের গ্রিন ইনভার্টার প্রযুক্তি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ–সাশ্রয়ের নিশ্চয়তা দেয়। আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা শুধু কার্বন ফুটপ্রিন্টই কমাইনি, বরং বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালীন বিদ্যুতের সংকটও মোকাবিলা করছি।

প্রশ্ন

সরকারি সহায়তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ শিল্পের মধ্যে আরও উদ্ভাবন, বৃদ্ধি এবং স্থায়িত্ব বাড়াতে আপনি কোন নির্দিষ্ট নীতি বা উদ্যোগের বাস্তবায়ন দেখতে চান? 

এম এইচ এম ফাইরোজ: আমরা এই বছরের শেষ নাগাদ স্থানীয়ভাবে এসি উৎপাদন করতে যাচ্ছি। সরকার যদি কিছু উদ্যোগ নেয়, তাহলে বাংলাদেশের সামগ্রিক এসির মার্কেট বিকশিত হবে। যেমন বিদ্যুৎ–সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব এসির জন্য গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলোর জন্য সরকারি অনুদান বা কর প্রণোদনা প্রদান করা, বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া এসির জন্য এনার্জি ইফিসিয়েন্ট স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করা ও টেকসই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তিকে ভোক্তাদের কাছে আরও সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী করতে গ্রিন ঋণ বা লিজিং প্রোগ্রামের মতো অর্থায়নের ব্যবস্থা করা।