এফবিসিসিআইয়ে বৈঠক

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতের সুদের সীমা তুলে দেওয়ার দাবি

বাংলাদেশ ব্যাংক গত এপ্রিলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সব ধরনের আমানতে সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা ৭ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী আমানতের ওপর গ্রাহকদের ৭ শতাংশের বেশি সুদ দিতে পারছে না ব্যাংক–বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। অন্যদিকে ব্যাংকগুলো বাড়তি সুদে আমানত সংগ্রহ করছে। এতে অসম প্রতিযোগিতায় পড়েছে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন–সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব কথা বলেন। তাঁরা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সব ধরনের আমানতে সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেওয়ার দাবি করেন।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান উত্তরা ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান মতিউর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। এফবিসিসিআইয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংক–বহির্ভূত আর্থিক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পুনঃ অর্থায়ন তহবিলের আকার আরও বাড়ানো দরকার।

এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, ব্যাংক ও ব্যাংক–বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিসহায়তায় পার্থক্য থাকা উচিত নয়। সুদের সর্বোচ্চ হারের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে শিগগিরই আমরা আলোচনায় বসব।

শিল্পে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, এ ক্ষেত্রে ব্যাংক–বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভূমিকা রাখতে পারে। প্রান্তিক উদ্যোক্তা ও এসএমই খাতে ঋণ অর্থায়নে তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ এস এম জাহাঙ্গীর আলম, কো-চেয়ারম্যান ও আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যস্থাপনা পরিচালক মমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, কান্তি কুমার সাহা, এফবিসিসিআইর পরিচালক রেজাউল করিম প্রমুখ।