
বেসরকারি খাতে শীর্ষ বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এক যুগ পূর্ণ করেছে। ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ড্যাশ৮-কিউ৪০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছিল। বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমানবহরে ৩টি এয়ারবাস, ৯টি বোয়িংসহ ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে।
এক যুগপূর্তি উপলক্ষে বিমান সংস্থাটি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস জানিয়েছে, যাত্রা শুরুর পর এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশের বেশি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে পরিচালনা করেছে।
অভ্যন্তরীণ আকাশপথে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সৈয়দপুর ও রাজশাহীতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। ২০১৬ সালের ১৫ মে ঢাকা-কাঠমান্ডু আকাশপথে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ডানা মেলে বিমান সংস্থাটি। এখন আন্তর্জাতিক রুট কলকাতা, চেন্নাই, মালে, মাসকাট, দোহা, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, জেদ্দা, রিয়াদ, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজুর আকাশপথে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা।
২০২৭ সালের মধ্যে ইউএস-বাংলার বহরে ১৫টি বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ৬টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ নেক্সট জেনারেশন যোগ হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া চলতি বছর নেপালের কাঠমান্ডুতে আবার ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে তারা।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে ইউএস-বাংলা ২০২৭ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েত, বাহরাইন, মদিনা, দাম্মাম, কলম্বো, মালয়েশিয়ার জহুরবারু, পেনাং, হংকংয়ের আকাশপথে ফ্লাইট শুরুর পরিকল্পনাও করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। এ ছাড়া ২০২৮ সালের মধ্যে লন্ডন, রোমসহ ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্য এবং ২০৩০ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক-টরন্টো ও অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ফ্লাইট পরিচালনার চিন্তাভাবনা আছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালে বেস্ট ডমেস্টিক এয়ারলাইনসে ভূষিত হয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। তার আগের তিন বছরও একই পুরস্কার পেয়েছে বিমান সংস্থাটি। এ ছাড়া ২০১৫ সালেও একই স্বীকৃতি পেয়েছিল তারা।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের এক যুগপূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যেকোনো ধরনের প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। বর্তমান বিশ্বে যাত্রীদের সঠিক সেবা দেওয়ার জন্য আধুনিক এয়ারক্রাফটের কোনো বিকল্প নেই। ইউএস-বাংলা যাত্রীদের আরামদায়ক সেবাকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত করে চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে ইউএস-বাংলা পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।’