ঢাকা ব্যাংকের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার; এমডি ও সিইও ওসমান এরশাদ ফয়েজসহ পরিচালক ও স্বতন্ত্র পরিচালকেরা। গত রোববার রাজধানীতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে
ঢাকা ব্যাংকের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার; এমডি ও সিইও ওসমান এরশাদ ফয়েজসহ পরিচালক ও স্বতন্ত্র পরিচালকেরা। গত রোববার রাজধানীতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে

ঢাকা ব্যাংকের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

ঢাকা ব্যাংকের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গত রোববার দোয়া মাহফিল ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার; ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওসমান এরশাদ ফয়েজ; পরিচালক এ টি এম হায়াতুজ্জামান খান, রেশাদুর রহমান, আলতাফ হোসাইন সরকার, আফরোজা আব্বাস, আমির উল্লাহ, আবদুল্লাহ আল আহসান, মো. আমান উল্লাহ সরকার ও মির্জা ইয়াসের আব্বাস এবং স্বতন্ত্র পরিচালক বিলকিস আরা বেগম বক্তব্য দেন। এ ছাড়া ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বর্তমানে চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। এ ছাড়া ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপকেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা ব্যাংক এসব তথ্য জানিয়েছে।

বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের এমডি ও সিইও ওসমান এরশাদ ফয়েজ। তিনি ব্যাংকের গত তিন দশকেরও বেশি সময়ের সফল পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের ব্র্যান্ড ‘ট্রান্সফর্মিং টুগেদার’ শীর্ষক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বলেন, ৩১ বছরের সাফল্যের পেছনে গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সব অংশীজনের অব্যাহত আস্থা ও সহযোগিতা রয়েছে। তিনি সুশাসন, টেকসই ব্যাংকিং, ডিজিটাল রূপান্তর ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টিতে পরিচালনা পর্ষদের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

মালয়েশিয়া থেকে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ প্রতিষ্ঠাকাল থেকে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে ঢাকা ব্যাংকের বিকাশের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে সততা, পেশাদারত্ব ও উৎকর্ষের সঙ্গে গ্রাহকসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান।