সরকার এবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকার এবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এবার ৫৭৯ কোটি টাকার এলএনজি আসছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে

সরকার এবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে। এ দফায় মার্কিন মুলুক থেকে আনা হচ্ছে এক কার্গো বা ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ এলএনজি। এতে খরচ হবে প্রায় ৫৭৯ কোটি টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ক প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। প্রস্তাবটি ছিল জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলার।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি এলপি থেকে এই এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে চলতি মাসে একবার প্রায় ৬১৮ কোটি টাকায় এক কার্গো এলএনজি এবং আগের মাসে জাপানের জেরা কোম্পানি থেকে ৬৯০ কোটি ৪২ লাখ টাকায় আরও এক কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

চলতি বছরের আগে পেট্রোবাংলা খোলাবাজার থেকে সর্বশেষ এলএনজি কিনেছিল গত মে মাসে। তখন প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ছিল ২৬ ডলার ৪ সেন্ট। আর প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম এখন ১০ ডলার করে কমেছে।

গ্যাস–সংকট বিবেচনায় ২০১৮ সালের ২৫ এপ্রিল এলএনজি আমদানি শুরু করে সরকার। খোলাবাজার থেকে এলএনজি আমদানির জন্য ২০১৯ সালে সরকার একটি পরিকল্পনাও নেয়। এর অংশ হিসেবে ২০২১ সালে জাপান, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য ও দুবাইয়ের চার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়।

রাশিয়াও বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানি করতে চায়। যৌথভাবে দেশটি এলএনজি টার্মিনালও স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশে। ১৩-১৫ মার্চ বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাসংক্রান্ত রাশিয়া-বাংলাদেশ আন্তসরকার কমিশনের চতুর্থ অধিবেশনে রাশিয়া এমন আগ্রহ দেখায়। যদিও এ ব্যাপারে আলোচনা বেশি দূর এগোয়নি।