প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা যোগদানের আদেশ জারির দাবিতে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনের সড়কে পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা যোগদানের আদেশ জারির দাবিতে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনের সড়কে পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন

প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় সমাধান মেলেনি, কর্মসূচি চলবে: সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা

অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠকে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি হয়নি দাবি করে তাঁরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা।

আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। আন্দোলনকারীদের একজন প্রতিনিধি প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু ইতিমধ্যে তিন মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। আমাদের অনেকে আগের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। প্রজ্ঞাপন ছাড়া এবার আমরা ঘরে ফিরব না।’

এর আগে আজ রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনের সড়কে পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। পরে দুপুরে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদল। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী যোগদানপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করে অধিদপ্তর। ফল প্রকাশে আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও চাকরিতে যোগদান করা হয়নি প্রার্থীদের। দীর্ঘদিন নিয়োগপ্রক্রিয়া ঝুলে থাকায় ১৪ হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী এবং তাঁদের পরিবার বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক উদ্বেগের মধ্যে দিনাতিপাত করছে।