স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সরকারি চাকরিতে কারও প্রতি কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না বলে নিশ্চয়তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, ৪৯তম বিসিএসে (বিশেষ) শিক্ষা ক্যাডারে পিএসসির সুপারিশ পাওয়ার পরও বাদ পড়া প্রার্থীরদের মধ্যে ৪৬ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত গেজেট আগামী সোমবার প্রকাশ করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই কথা জানান।

সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কারও প্রতি কোনো বৈষম্য করা হবে না। নিয়োগপত্র ইস্যুর জন্য প্রজ্ঞাপন জারির কিছু নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত নথি উপস্থাপনের কাজ শেষ করেই সোমবার বাকি ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’ এ সময় সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান তিনি।

গতকাল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ৪৯তম বিসিএসের (বিশেষ) শিক্ষা ক্যাডারের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেখানে পিএসসির সুপারিশ পাওয়া ৬৬৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬১১ জনকে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়। মোট ৫৭ জন প্রার্থী প্রজ্ঞাপন থেকে বাদ পড়েন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘৪৯তম বিসিএসে (বিশেষ) ৬১১ জনকে শিক্ষা ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দিয়ে গতকাল প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই বিসিএস পরীক্ষায় পিএসসির চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ৬৬৮ জন। সেই হিসাবে গতকালের প্রজ্ঞাপনে ৫৭ জনের নাম নেই। কিন্ত প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, বাদ পড়া ৫৭ জনের মধ্যে তিনজন সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেননি ও আটজন মেডিকেল টেস্টে উপস্থিত হননি। তার মানে প্রথম প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়া প্রার্থীর সংখ্যা ৫৭ জন নয়, ৪৬ জন হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করা অনুচিত। যারা অপতথ্য ছড়াচ্ছেন, তাদের এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

গত বছরের ১১ নভেম্বর ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে শিক্ষাক্যাডারে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছিল সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সোমবার ৪৬ জনের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নিয়োগ জটিলতার চূড়ান্ত নিরসন হতে যাচ্ছে।