
অবাক জলপান
প্রশ্ন: জলের তেষ্টায় পথিকের মন ও শরীরের অবস্থা কী হয়েছিল? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: জলের তেষ্টায় পথিকের মন ও শরীরের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে পড়েছিল।
ভরদুপুরে দীর্ঘ পথ চলার পর পথিকের ভীষণ তৃষ্ণা পেল। পথিক তাই বিভিন্নভাবে নানাজনের কাছে জল চাইতে লাগল। কিন্তু কেউ তার কথা বুঝতে চাইল না। পিপাসা আর ক্লান্তিতে তাই পথিক দিশেহারা হয়ে পড়ল।
প্রশ্ন: মনে করো, এই পথিকের সঙ্গে তুমি কথা বলছ। তোমাদের দুজনের কথোপকথন কেমন হতে পারে তা তোমার নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: ‘অবাক জলপান’ নাটিকার পথিকের সঙ্গে আমার যে রকম কথোপকথন হতে পারত তা নিচে লেখা হলো:
পথিক: এই যে খোকা, ভীষণ তেষ্টা পেয়েছে। একটু জলের ব্যবস্থা করে দিতে পার?
আমি: জ্বী, অবশ্যই, ওই যে আমার বাড়ি। আপনি চলুন আমার সঙ্গে। জলপান করে আসবেন।
পথিক: তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। চলো যাওয়া যাক।
প্রশ্ন: পথিককে ঝুড়িওয়ালা কত রকম জলের কথা শুনিয়েছিল? নামগুলো লেখো।
উত্তর: ঝুড়িওয়ালার সংলাপে যদিও কোনো জলের উল্লেখ নেই। কিন্তু বৃদ্ধের প্রশ্নের জবাবে পথিক জানিয়েছিল, ঝুড়িওয়ালা তাকে পাঁচ রকম জলের কথা শুনিয়েছিল। এই পাঁচ রকম জলের নাম হলো কুয়োর জল, নদীর জল, পুকুরের জল, কলের জল ও মামাবাড়ির জল।
বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল