এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানার জন্য অনলাইনে চেষ্টা করছে শিক্ষার্থীরা। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানার জন্য অনলাইনে চেষ্টা করছে শিক্ষার্থীরা। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

এইচএসসিতে পাস ৫২.১২ শতাংশ, জিপিএ ৪০০৮৪

এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা এক মাসের মধ্যে

শিক্ষার্থীরা এইচএসসির ফল দেখছেন। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা, ৩১ অক্টোবর

গত ১৫ বছরে সবচেয়ে কম পাসের হার চট্টগ্রাম বোর্ডে

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন।

গত ১৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম পাসের হার দেখল চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড। গত বছর পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। একই সময়ে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩ হাজার ২০১ জন।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ জহিরুল হক।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম ছাড়া কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৮৭৮ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হয় ২০১২ সালে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গত ১৫ বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১২ সালে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ। এরপর ২০২০ সালে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেন। করোনাকালে বিশেষ মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ওই বছরের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল।

২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। পরবর্তী বছরগুলোতে পাসের হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে। ২০২২ সালে ৭৮ দশমিক ৮, ২০২৩ সালে ৭৪, ২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৪ এবং ২০২৫ সালে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন। এবার তা আরও কমে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে নেমেছে।

এবারের এইচএসসিতে ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেন নি। মানে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। এবার শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩৯টি।

গত বছর শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। আর তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে এমন প্রতিষ্ঠান ছিল ৬৫টি।

এদিকে এ বছরের (২০২৬ সাল) উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ১১ টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।

২০২৫ সালের এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে পাসের হার ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ কমেছে।

আজ শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হচ্ছে।

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানার জন্য অনলাইনে চেষ্টা করছে শিক্ষার্থীরা। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

এইচএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে কেবল ফেল করা বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এবারে এক ও দুই বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন।

আজ শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেখানেই মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ কথা জানান।

বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাকে এক বছর পর (পরের বছরের পরীক্ষায়) আবার পরীক্ষায় বসতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলোতে অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি বাড়তি মানসিক চাপও তৈরি হয়।

এইচএসসির পরীক্ষায় ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফল উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ও অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হচ্ছে।

এ বছরের (২০২৬ সাল) উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।

২০২৫ সালের এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে পাসের হার ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ কমেছে।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনলাইনে রেজাল্ট পোর্টাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যম ও মুঠোফোনে এসএমএস বা খুদে বার্তায় ফলাফল পাবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।

এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগে আরেকবার পড়াশোনা চলছে।

এইচএসসির ফল আজ, এবার ফল দেখতে এসএমএস পাঠাতে হবে নতুন নম্বরে

এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হবে শনিবার, ৩১ অক্টোবর। বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ও অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে।

এদিকে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনলাইনে রেজাল্ট পোর্টাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যম ও মুঠোফোনে এসএমএস বা খুদে বার্তায় ফলাফল পাবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।

তবে মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানার নম্বর পরিবর্তন করেছে শিক্ষা বোর্ড। এর আগের বছরগুলোতে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা গেলেও এবার ২০২৬ সালে নতুন নম্বর ১৬১৪০-এ এসএমএস পাঠাতে হবে শিক্ষার্থীদের।

অনলাইনে রেজাল্ট পোর্টাল—

বোর্ড প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ—

পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট https://eduboardresults.gov.bd ও https://educationboardresults.gov.bd সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহের পাশাপাশি ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনের মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য ওই ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএনের (প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি নম্বর) মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড।

মুঠোফোনে খুদে বার্তা—

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা যেকোনো মুঠোফোন নম্বর থেকে ১৬১৪০ (16140) নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। খুদে বার্তার মাধ্যমে ফলাফল জানতে HSC বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর রোল নম্বর পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ (16140) নম্বরে পাঠাতে হবে।

উদাহরণ: HSC Dha 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই ২০২৬। লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

এক শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখাচ্ছে তাঁর মাকে

এইচএসসির ফল প্রকাশ অনুষ্ঠান ১১টায়, শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন কখন

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে।

তিন উপায়ে ফলাফল দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

এর মাধ্যমে দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে থাকা ১২ লাখ ৭০ হাজার পরীক্ষার্থীর আড়াই মাসের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী প্রথমে ২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল। পরে তারিখ পরিবর্তন করে শনিবার নির্ধারণ করা হয়।আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে বোর্ড প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনের মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য ওই ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএনের (প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি নম্বর) মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করতে হবে।

পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। পরীক্ষার্থীরা ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা যেকোনো মুঠোফোন নম্বর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। উদাহরণ: HSC Dha 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।

উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদনের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।