আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা টেনশনে কেন্দ্রে আসবে, হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্র ত্যাগ করবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, বর্তমান জনবান্ধব ও নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার ছাত্রছাত্রীদের মন থেকে ‘পরীক্ষাভীতি’ শব্দটি দূর করতে চায়। তাঁরা চান পরীক্ষার্থীরা বিনা টেনশনে কেন্দ্রে আসবে, হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্র ত্যাগ করবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘আপনারা সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত হবেন না।’

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে শান্ত–স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, পরীক্ষার হলে এমন পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এ সময় পরীক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, এবারের এসএসসি ব্যাচ করোনার কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে এবারের এসএসসি পরীক্ষা তাদের জীবনের প্রথম ও পূর্ণ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা। সে কারণে পরীক্ষার হল যেন পরীক্ষাথীবান্ধব হয়ে ওঠে, সেটি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

উপদেষ্টা বলেন, প্রশ্নপত্রের কোনো অংশে দুর্বোধ্যতা থাকলে সেটি নিরসনে সহায়তা করা হবে। এবারের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিগত সরকারের সময়ে প্রণীত হওয়ায় এ বিষয়ে তাদের নির্দেশনা দেওয়ার খুব বেশি সুযোগ ছিল না।

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা টেনশনে হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসবে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উত্তরপত্রে লিখবে এবং হাসিমুখে পরীক্ষাকেন্দ্র ত্যাগ করবে। পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোরতা আমাদের লক্ষ্য নয়, কোনো পরীক্ষার্থী যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয় সেই ইতিবাচক মানসিকতা নিশ্চিত করতে হবে।’