
প্রায় পাঁচ বছর আগে ভারতের সঙ্গে দ্বিতীয় ঋণচুক্তির আওতায় দেশের ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়। অবশেষে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আটটি পার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হওয়ার আশা করছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ।
আজ সোমবার বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি ভবনে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে এ মতবিনিময় সভা হয়।
জুনাইদ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন এবং দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সহযোগিতা করবে ভারত। আইসিটি খাতে ভারতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল সার্ভিস অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার (বিডিসেট) নামে আরেকটি প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের ছয়টি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, হাইটেক পার্ক ও শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল এডুট্রেইনমেন্ট সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে আরেকটি প্রকল্প চূড়ান্ত হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, স্টার্টআপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশ ও ভারতের ৫০টি করে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ-ভারত আইটি অ্যাকসিলারেটর (বিআইটিএ) স্থাপন করা হচ্ছে।
হাইটেক পার্ক স্থাপনের কাজ অনেক দিন ধরে আটকে ছিল উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, এখন কাজ অগ্রসর হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অনেক ভালো করছে। দুই দেশেই ডিজিটাল ব্যবসা অগ্রসর হচ্ছে এবং ব্যবসার ভবিষ্যৎ সেটাই। দুই দেশের বন্ধুত্বও সেভাবে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষসহ মতবিনিময় সভায় আইসিটি বিভাগ ও হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।