কদিন আগেই অরিজিৎ সিংয়ের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন আমির খান। সেখানে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া, ঘুড়ি ওড়ানো—সবই হয়েছে। গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত টানা তিন দিন বহরমপুরের এক হোটেলে আস্তানা গেড়েছিলেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। তবে জিয়াগঞ্জে আমিরের সফরকে ঘিরে উঠল গুরুতর অভিযোগ।
আমির-অরিজিতের বিরুদ্ধে গভীর রাতে বেআইনিভাবে সরকারি কলেজে ঢোকার অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শেয়ার করা হচ্ছে পোস্ট।
পশ্চিমবঙ্গের জিয়াগঞ্জের রানি ধন্যা কুমারী গভর্নমেন্ট কলেজে অনুমতি ছাড়াই কলেজ প্রাঙ্গণে প্রবেশের অভিযোগ উঠল সংগীত অরিজিৎ সিং এবং অভিনেতা আমির খানের বিরুদ্ধে। কলেজের প্রিন্সিপাল অজয় অধিকারী ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন, যা পরে মুছে ফেলা হয়েছে।
অধিকারী দাবি করেছেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১টা ৫ মিনিটে অরিজিৎ সিং, আমির খান এবং আরও কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে কলেজ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছেন।
এরপর তাঁরা ইনডোর গেমস হলে ব্যাডমিন্টন খেলেন, একটি শুটিং করেন। রাত ২টা ২৫ মিনিটে তাঁরা ক্যাম্পাস ছেড়ে দেন। প্রিন্সিপাল তাঁর মুছে ফেলা পোস্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘এই এত রাতের সময়, কলেজকে অবহিত না করে তাঁরা কি শুধু সেলিব্রিটি হওয়ার কারণে যা খুশি করতে পারেন? সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি এভাবে ব্যবহার করা যায়?’
পোস্ট মুছে ফেলার পর অধিকারী আরও লিখেছেন যে তিনি পোস্টটি ডিলিট করতে বাধ্য হন। তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন যে অনেকেই নৈতিক বা সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিচার না করে শুধুই প্রিয় ব্যক্তিদের পক্ষ নিতে থাকেন।
এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক হলেও আমির বা অরিজিতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে