আমার কোনো আগ্রহ নাই এসবে: বাপ্পারাজ

গতবারের মতো এবারও মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদে প্রার্থী তালিকায় নাম দেখা গেছে নায়ক বাপ্পারাজের। গতবার জয়ী হলেও এবার ২৮ জানুয়ারি নির্বাচনে হেরে গেছেন তিনি।

নায়ক বাপ্পারাজ
নায়ক বাপ্পারাজ

এদিকে নির্বাচনের আগে মিশা-জায়েদ প্যানেলের সবাইকে ভোটের মাঠে প্রচার–প্রচারণায় দেখা গেলেও ছিলেন না বাপ্পারাজ। এমনকি নির্বাচনের দিন বিএফডিসিতে দেখা যায়নি তাঁকে। নিজের ভোটও দেননি তিনি।
কেন? এ ব্যাপারে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমি তো নিজ থেকে ভোটেই দাঁড়াই নাই। নমিনেশন ফরমও নিজ থেকে তুলি নাই আমি। জায়েদ খান এসে আমাকে বলেছিল, “না ভাইয়া, আপনি থাকেন।” একরকমের জোর করেই আমার কাছ থেকে নমিনেশন কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে গেছে। গতবারও সে এসে একই কাজ করেছিল। আমার কোনো আগ্রহ নাই এসবে।’

তিনি প্রশ্ন করেন, ‘এই নির্বাচনে কোনো অনুষ্ঠানে দেখেছেন আমাকে? আমি কারও কাছে ভোটও চাইনি। এবার যে ১১৭টা ভোট পেয়েছি, তা নিঃস্বার্থভাবেই পেয়েছি। ভোটারদের পিউর ভালোবাসা থেকে পেয়েছি। আমি কারও কাছে ফোনও করিনি, ভোটও চাইনি।’ হাসতে হাসতে এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমি ভোটও চাইনি, কাউকে ভোটের জন্য প্রতিশ্রুতি কিংবা আশা–ভরসাও দিইনি। হা হা হা...।’

বাপ্পারাজ

তাহলে নমিনেশন কাগজে স্বাক্ষর করলেন কেন?—এমন প্রশ্নের উত্তরে বাপ্পারাজ বলেন, ‘খুব অনুরোধ করল, না করতে পারিনি। কিন্তু স্বাক্ষর করার সময় আমি জায়েদকে বলেছিলাম, আমি নির্বাচনে ভোট চাওয়া থেকে শুরু করে কোনো কিছুতেই থাকতে পারব না। কারণ, আমার এসব ভালো লাগে না। সে বলেছিল , “আপনার কিছুই করতে হবে না। আপনাকে ভোটও চাইতে হবে না, আসতেও হবে না।” আমার সব শর্ত মেনে নিয়েই স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এখন যা হওয়ার, হয়েছে। এসব থাক। আর কথা না বলাই ভালো।’

নায়ক বাপ্পারাজ

এর আগের মেয়াদে কমিটিতে কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন বাপ্পারাজ। এবার পরাজিত হয়েছেন। এ ব্যাপারে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমি তো মাঠে খেলিই নাই, হারলে কী, জিতলে কী! মাঠে নামলে, না পারলে কথা ছিল—আমি হারলাম না জিতলাম। সুতরাং এই বিষয়ে আর কোনো কথা বলা ঠিক হবে না আমার।’